কিভাবে দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়? দাঁত সুন্দর ও সুস্থ্য রাখার উপায়।
দাঁত আমাদের শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আমরা সবাই চাই আমাদের দাঁত সুন্দর এবং সুস্থ থাকুক। আমরা যখন কথা বলি তখন যদি আমাদের দাঁত যদি সুন্দর না দেখায়। তাহলে অনেকটাই খারাপ লাগে আমাদের কাছে। তাছাড়া দাঁতের যদি কোন সমস্যা হয়। তাহলে আমাদের খাওয়াদাওয়া তে সমস্যা হয় তার খাওয়া-দাওয়া হতে সমস্যা। মানে আমাদের সুস্থ থাকা তাতেও সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই অবশ্যই আমাদের দাঁতকে সুস্থ রাখতে হবে এবং সুন্দর রাখতে হবে। প্রতিটি মানুষ যখন হাসে কথা বলে তখন তার দাঁত অন্যরা দেখে আরে দেখাতেই যদি তার দাঁত সুন্দর না লাগে। তাহলে হয়তো খারাপ লাগতে পারে।
তাই অবশ্য সবাই চায় তার দাঁত সুন্দর লাগুক। সে যখন কথা বলবে তখন যেন মানুষ তার দাঁত দেখে প্রশংসা করে। তার দাঁত যদি সুন্দর করতে হয় তাহলে তো কিছু যত্ন নিতে হবে। তাতে প্রতি যত্নশীল হতে হবে। কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। যেগুলোর মাধ্যমে দাঁতকে সুন্দর রাখা যায়। সুস্থ রাখা যায়। দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়। আমরা কিছু কিছু মানুষ আছে যারা দাঁতের যত্ন নেই নাক পরিষ্কার করে না। তাদের প্রতি যত্নশীল হই না। যার জন্য আমাদের মাঝে মাঝে খারাপ হতে পারে। আমরা সুস্থ স্বাভাবিক এবং সুন্দর দাঁত পারিনা। কিন্তু আমরা সবাই চাই আমাদের সুন্দর সুস্থ এবং স্বাভাবিক হোক।
তো চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে দাঁত সুন্দর রাখা যায়? দাঁত সুস্থ রাখা যায়। দাঁত স্বাভাবিক রাখা যায়। দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়।
- কিভাবে দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়?
- দাঁতের যত্ন নেওয়ার উপায়।
- দাঁতের যত্ন নেওয়া।
- দাঁত সুন্দর রাখার উপায়
- দাঁত সুস্থ রাখার উপায়।
- কিভাবে সুস্থ রাখা যায়?
- কিভাবে দাঁতের সুন্দর রাখা যায়?
- দাঁত সুন্দর রাখার উপায়।
- দাঁত সুস্থ রাখার উপায়।
ব্রাশ পরিবর্তন
আমরা অনেকেই আছি যারা দীর্ঘদিন যাবৎ একই ব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে থাকে। অর্থাৎ একটা ব্রাশ দিয়ে আমরা মাসের পর মাস এমনকি অনেকে বছরের পর বছর একটি ব্রাশ দিয়ে দাঁত মেজে যাচ্ছে। আসলে এটি উচিত না। অনেক সময় দেখা যায় ব্রাশ এর অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যায়। ব্রাশ নষ্ট হয়ে যায় তো আমরা নষ্ট ব্রাশ দিয়ে দাঁত মেজে থাকি। আপনি যখন নষ্ট ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজবে তখন আপনার দাঁত খারাপ হতে থাকবে। আপনার দাঁতের যত্ন নেয়া হবে না। বরণ অযত্ন নেয়া হবে। তাই আমাদের উচিত কয়েক মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করে নেওয়া। ব্রাশে যদি কোন রকম সমস্যা দেখা যায় ব্রাশ যদি পুরাতন হয়ে যায়। তাহলে অবশ্যই নতুন ব্রাশ নেওয়া উচিত। আর এক্ষেত্রে আমাদেরকে দুই থেকে তিন মাস অথবা প্রতি মাসে ব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। তাহলে আমাদের দাঁতের সুস্থ থাকবে সুন্দর থাকবেন স্বাভাবিক থাকবে।
কত সময় ধরো মাজবেন?
আমরা অনেকেই আছি যারা অনেক সময় ধরে দাঁত মেজে থাকি। এটি করলে সাধারণত দাঁতের ক্ষতি হয়। অর্থাৎ আপনি যদি অনেক সময় ধরে দাঁত মেজে থাকেন তাহলে দাঁতের ক্ষয় বেশি হয়, দাঁতের মাড়িতে ক্ষয় হতে পারে। আবার অনেকে আছে যারা অল্প সময় ধরে দাঁত মাজে। এতে করে দাঁত পরিষ্কার হয় না দাঁতের যত্ন নেওয়া হয় না। দাঁতে ময়লা থাকলে সেটিও পরিষ্কার হয় না। তাই দাঁত মাজা হয়না যেহেতু দাঁত মাজা হয়না। তাতে দাঁত সুন্দর থাকে না। স্বাভাবিক থাকে না। দাঁতের যত্ন নেয়া হয় না। তাই আমাদেরকে একটি মিনিমাম সময় ধরে রাখতে হবে যাতে করে দাঁত সুন্দর হয়।
সঠিক টুথব্রাশ
অনেক সময় দেখা যায় আমরা ভুল টুথব্রাশ নির্বাচন করি। অর্থাৎ আমরা যেমন তেমন টুথব্রাশ দিয়ে আমাদের দাঁত মাজতে থাকে। হয়তো এটি আমাদের দাঁতের সাথে নাও মিলতে পারে। অর্থাৎ জামভাজির টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত মেজে থাকি। হয়তো সেটি আমাদের জন্য তেমন একটি ভালো হবে না। হয়তো আমাদের জন্য অন্য কোন টুথব্রাশ ভালো হবে। অনেক সময় দেখা যায় বাজারে নতুন কোন টুথব্রাশ আসলে। আমরা সেটি ব্যবহার করতে থাকি। হয়তো এটি আমাদের জন্য তেমন একটা ভালো হতে না পারে। তাই অবশ্যই আমাদেরকে ভাল দেখে ভাল ভেবেচিন্তে তারপর ব্রাশ নির্বাচন করা উচিত। এক্ষেত্রে চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া হতে পারে।
দুই বেলা দাঁত মাজা
দুই বেলা দাঁত মাজা দাঁতের জন্য অনেক উপকারী। হয়তো আমরা এটি করিনা অনেকেই। আমরা প্রায় অনেকেই শুধু সকালবেলা দাঁত মেজে থাকি। কিন্তু আমরা যদি দুই বেলা দাঁত মাজতে পারি। তাহলে হয়তো আমাদের অনেকটাই সুস্থ থাকবে। সুন্দর থাকবে স্বাভাবিক। আমরা যদি সকাল বিকাল অথবা সকালে রাত্রিতে দাঁত মাজতে পারি। তাহলে ভালো থাকবে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর আমরা দাঁত মাজতে পারে। এতে করে রাতে যে ময়লা থাকবে। যাতে সেগুলো দূর হয়ে যাবে। এবং রাতে যখন আমরা ঘুমাতে যাবো। তার আগে যদি আমরা দাঁত মাজতে পারি। তাহলে আমাদের দাতে সারাদিনের খাবারের অংশগ্রহণ জমা হয়ে থাকে। সেগুলো চলে যাবে এবং দাঁত পরিষ্কার থাকবে। তাই আমাদের উচিত দুই বেলা দাঁত পরিষ্কার করা দাঁত মাজা। এতে করে ওদের দাঁত সুন্দর থাকবে পরিষ্কার হবে।
আলতো করে দাঁত মাজা
আমরা অনেকে দাঁত মাজার সময় অনেক জোরে জোরে দাঁত মেজে থাকে। এতে করে আমাদের দাঁত নড়তে পারে দাঁতের ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে। দাঁতের মাড়িতে আঘাত লাগতে পারে। দাঁতে আঘাত লাগতে পারে। তাই আমাদের উচিত যখন আবার দাঁত ব্রাশ করবো। তখন আলতো করে আস্তে আস্তে দাঁত ব্রাশ করা। এতে করে আমাদের দাঁত মাজা হবে। যাতে কোনরকম সমস্যা হবে না। যাতে আঘাত লাগবে না। অনেক সময় দেখা যায় আমরা যখন জোরে জোরে দাঁত ব্রাশ করতে যায়। তখন আমাদের দাতে আঘাত লাগে। তাইতো করে দাঁতের ক্ষত সৃষ্টি হতে পারে দাঁতের অসুখ হতে পারে। তাই আমরা যখন দাঁত ব্রাশ করবো তখন আলতো করে দাঁত ব্রাশ করবো।
সাবধান থাকা
অনেক সময় দেখা যায় আমরা দাঁত দিয়ে শক্ত কোন জিনিস কামড়িয়ে থাকে। যেমন কোন বোতলের ছিপি খোলা দাঁত দিয়ে খোলার চেষ্টা করে। অথবা কোন লোহার টুকরোতে আমরা কামড় দিয়ে থাকি বা খোলার চেষ্টা করি। এগুলো করা উচিত না। কেননা এতে করে আপনার দাঁত ভেঙ্গে যেতে পারে। যা থেকে যেতে পারে দাঁত নড়ে যেতে। পারে এগুলো আপনার দাঁতের জন্য ক্ষতি। তাই আপনি সাবধানে থাকতে হবে। আপনি কোন অবস্থায় কোনো শক্ত বস্তু দিয়ে আঘাত করা যাবে না বা কোনো শক্ত বস্তু দাঁত লাগানো যাবে না। যাতে করে আপনার দাঁতে কোনরকম সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই ভুলগুলো আমরা অনেকেই করে ছোট থেকে বড় প্রায় সবাই আমরা এ ধরনের ভুলগুলো করে থাকে। তাদের উচিত এ সমস্ত ভুল গুলো থেকে নিজেদেরকে ঠিক রাখা। তাহলে আমাদের দাঁতত সুস্থ থাকবে। সুন্দর থাকবে। দাঁতের ক্ষতি হবে না। স্বাভাবিক থাকবে।
মাউথ ওয়াশ ব্যবহার
অনেক সময় আমাদের দাতে কোনরকম সমস্যা হলে আমরা সেটি যত্ন নেয় না। তবে আমাদের উচিত কোনো রকম যাতে দাঁতের সমস্যা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। এবং মাঝে মাঝে মাউথওয়াশ ব্যবহার করা। হতো যদি আমরা দাঁত পরিষ্কার করি। এবং মুখে মাউথ ওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। আমাদের মুখ পরিষ্কার থাকবে। দাঁত পরিষ্কার থাকবে। কোনো রকম কিছু সমস্যা সৃষ্টি করতে পারবে না। তাই আমাদের উচিত মাঝে মাঝে মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা। কিন্তু হয়তো আমরা অনেকেই ব্যবহার করিনা। এর অন্যতম কারণ হলো আমরা এই সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা রাখে না। মাউথওয়াশ ব্যবহার করার লাভ এর যে ভালো দিক সেগুলো আমরা অনেকে জানেন না। আমাদের উচিত মাঝে মাঝে মাউথওয়াশ ব্যবহার করা। মাউথ ওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা, দাঁত পরিস্কার করা। যাতে করে আমাদের দাঁত এবং মুখ সুন্দর থাকে স্বাভাবিক থাকে সুস্থ থাকে।
দাঁত পরীক্ষা করানো
আমাদের উচিত কয়েক মাস পর পর আমরা ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে দাঁত পরীক্ষা করানো। অর্থাৎ আমাদের দাঁত ভালো থাকার পরও আমরা যেন কয়েক মাস পর পর আমাদের দাঁত পরীক্ষা করাতে যাই। এতে করে আমাদের দরকার যদি কোন রকম সমস্যা হয়। তাহলে সেটি পরীক্ষা করার মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারবো। এবং আমাদের কোন ধরনের যত্ন নেওয়া উচিত। কোন সমস্যা আছে কিনা? কি কি করা উচিত? কি কি করা উচিত না? সবগুলোই আমরা পরীক্ষা করানো মাধ্যমে জানতে পারবো। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ হয় যাতে কোনরকম সমস্যা ছাড়া দাঁত পরীক্ষা করা হয় না। এমনকি দাতে কোনরকম সমস্যা হলো স্বাভাবিকভাবে সেগুলো নিয়ে নেয়। কোন রকম ডেন্টিস্টের কাছে যায় না। এটা একেবারেই উচিত না। আমাদের সবারই উচিত কয়েক মাস পর পরীক্ষা করানো। যাতে করে তাতে কোনরকম সমস্যা না হয় দাঁত সুন্দর থাকে সুস্থ থাকে।
পান না খাওয়া
অনেকে আছে যারা পান সুপারি এসব গুলো খেয়ে থাকে। এসব গুলো খাওয়ার পরে দাঁতে অনেকগুলো ময়লা জমা হতে পারে। পান সুপারি যে ক্ষুদ্র অংশগুলো আছে সেগুলো আমাদের দাতে জমে যেতে পারে। এতে করে আমাদের দাঁত দিন দিন নষ্ট হয়ে যাবে। দাঁত ক্ষত হতে থাকবে। দাঁতের যত্ন নেয়া হবে না। দাঁতের মাড়িতে অযত্ন হবে। দাঁতে অযত্ন হবে। এবং একসময় দেখা যায় আমরা পুরোপুরি আমাদের দাঁত নষ্ট করে ফেলব। তাই আমাদের উচিত আমাদের পান সুপারি এগুলো না খাওয়া। একান্ত যদি আমাদের খেতে হয়। তাহলে খাওয়ার পরপরই যেন আমরা এগুলো ধুয়ে ফেলি অর্থাৎ পান সুপারি খাওয়ার পর আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের দাঁত পরিষ্কার করা। মুখ পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত।
ব্রাশ ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে দাঁত না মাজা
অনেক সময় দেখা যায় অনেকের টুথব্রাশ ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে দাঁত ব্রাশ করে। যেমন ছাই বা কোন গাছের ডাল। এসব দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে দেখা যায়। অনেকেই এগুলোর মাধ্যমে আমাদের দাঁত ব্রাশ করে। এতে দাঁত পরিষ্কার হয় না। দাঁতে ক্ষত সৃষ্টি হওয়ায়। এসব থেকে ময়লা গুলো আমাদের দাতে গিয়ে আমাদের দাঁতে ময়লা জমতে থাকে। একসময় আমাদের দাঁত ক্ষয় হয় এবং দাঁত নষ্ট হয়ে যায়। এসব কোন অবস্থাতেই করা উচিত না। তাদের সবসময় উচিত ব্রাশ দিয়ে আমাদের দাঁত পরিষ্কার করার দাঁত মাজা। এতে করে আমাদের দাঁত সুন্দর হয়ে যাবে এবং কোনো রকম কোনো সমস্যার সৃষ্টি হবে না দাঁত মাজার কারণে। তাই অন্য কিছু দিয়ে আমাদের দাঁত ব্রাশ করা উচিত না।
খাবার দাবার
শুধু দাঁতের যত্ন নিলেই হবে না। দাঁতের জন্য খাবারদাবার দিক থেকেও যত্ন নিতে হবে। অর্থাৎ খাবার-দাবারের মাধ্যমে দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়। যদি সেগুলো জানা যায় যে কোন কোন খাবারগুলো খেলে আমাদের দাঁতের যত্ন নেয়া হবে। কোন কোন খাবারগুলো খেলে আমাদের যাতে যত্ন নেওয়া হবে না। জানতে হবে আপনার দাঁতের জন্য কোন কোন খাবার গুলো ভালো হবে। যেমন বেশি করে পানি পান করা। পানি আমাদের দাঁতের জন্য ভালো। শাকসবজি খাওয়া শাকসবজি শুধু দাঁতের জন্য না। আমাদের পুরো শরীরের জন্য ভালো। এছাড়া খাবার-দাবারের দেখতে আমাদের অনেক যত্নশীল হওয়া উচিত। পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া উচিত। আমরা যদি নিয়মিত ঠিকভাবে খাবার-দাবার খেয়ে থাকি। তাহলে আমাদের দাঁতের প্রতি যত্ন নেওয়া হবে এবং দাঁত সুস্থ থাকবে। সুন্দর থাকবে। স্বাভাবিক থাকবে। তাই আমাদের খাবার দাবারের দিক থেকেও যত্নশীল হতে হবে দাঁতের ব্যাপারে।
এ ছিল আজকে দাঁত সুন্দর রাখার উপায়। দাঁত সুস্থ রাখার উপায়। দাঁতের যত্ন কিভাবে নেওয়া উচিত? কিভাবে দাঁতের যত্ন নেওয়া যায়? সে বিষয়ে আর্টিকেল।
إرسال تعليق