শীতের মধ্যে সুস্থ থাকতে যে ১০টি নিয়ম মেনে চলতে হবে।

শীতের মধ্যে সুস্থ থাকতে যে ১০টি নিয়ম মেনে চলতে হবে | Health Tips - 2023
বছরের শেষ সময় এবং বছরের শুরুতেই শীতের আমেজ মেতে ওঠে। আর এ সময়টাতে হাওয়া বার্তা শিরশির করে ওঠে। এবং জ্বর সর্দি সহ বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। তাই এই সময়টাতে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে করে সুস্থ থাকা যায়। এবং এসমস্ত অসুস্থ তার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

তবে এজন্য অবশ্যই বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে যাতে করে শীতের সময়টাতে পুরোপুরিভাবে সুস্থ থাকা যায়। আসলে এ সময়টাতে আমরা অনেকে কোন কোন বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত। সে বিষয়গুলো আমরা অনেকেই জানি না বা জানার চেষ্টা করি না এবং অনেকের এগুলো সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা থাকে না। তাই এ বিষয়গুলো এড়িয়ে চলা হয় এবং এই বিষয়গুলো না জানার জন্য আমাদের অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। অর্থাৎ আমরা সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেনা তা অবশ্য এ বিষয়গুলো মেনে চলতে হবে। যে ১০ টি বিষয় মেনে চললে শীতের সময় আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন।

তো চলুন জেনে নেয়া যায় যে ১০ টি বিষয় মেনে চললে যে ১০ টি নিয়ম মেনে চললে শীতকালের সুস্থ হওয়া যায়, সুস্থ থাকা যায়। শীতকালের সুস্থ থাকার জন্য যে ১০ টি নিয়ম মেনে চলা উচিত।


সকালবেলা শরীরচর্চা

শুধু শীতকালে নয় যেকোনো সময়ে শরীরচর্চা শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় বিষয়। শীতকালে প্রতিদিন সকালবেলা নিয়মমতো রুটিন অনুযায়ী আমাদের শরীরচর্চা করতে হবে। সেটা মর্নিংওয়াক হতে পারে হতে পারে বাড়ির যে কোন জায়গাতে যোগব্যায়াম হতে পারে। যেকোনো ধরনের শরীরচর্চা হতে পারে। তবে সময় তা তো অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। যেহেতু শীতকাল এবং সকালবেলা শরীরচর্চা সেতুর সকালবেলা এবং শীতকাল দুটো মিলে একটু ঠান্ডা আবহাওয়া বলতে পারেন। তাই অবশ্যই এমন পোষাক পড়তে হবে যোগব্যায়াম বা শরীরচর্চা করার সময় যাতে করে শরীরে ঠান্ডা তেমন একটা অনুভব না হয়। অর্থাৎ ঠান্ডাজনিত কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তাই আপনি যখন শরীর চর্চা করবেন, তখন আপনি শীতের পোশাক অবশ্যই পরিধান করে তারপর প্রতিদিন আপনি রুটিন অনুযায়ী আপনি আপনার শরীর চর্চা করবেন।

সুষম খাবার

শুধু শরীরচর্চা করলে হবেনা সাথে থাকতে হবে সুষম খাবার খেতে হবে। অর্থাৎ আপনি যখন সকালবেলা শরীর চর্চা করবেন তারপর থেকেই আপনাকে সুষম খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেকোনো ধরনের সুষম খাবার হতে পারে। সুষম খাবার বিভিন্ন রকম হতে পারে তাতে আপনার পছন্দমত সুষম খাবার গ্রহণ করতে পারেন। তাই অবশ্যই এমন সুষম খাবার গ্রহণ করুন। এতে শীতকালে আপনার শরীরের যদি আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে পারেন। এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। এজন্য আপনি আপনার সুষম খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। কাঁচা হলুদ আমলা হরিতকী কাঁচা হলুদে আছে কারকিউমিন। এরকম বিভিন্ন ফলমূল বিভিন্ন সুষম খাবারে বিভিন্ন রকম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যন্ত উপকারী খাবার যেগুলো আমাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। হার্টের সমস্যা দূর করে। শীতকালে আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় সুষম খাবার রাখবেন, যাতে করে আপনি শীতকালে সুস্থ থাকতে পারেন, স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারেন, অসুস্থরা হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন। সুন্দর সুস্থ জীবনযাপনের জন্য অবশ্যই আমাদের সবার সুষম খাবার গ্রহণ করা উচিত হোক সে শীৎকার অথবা অন্য কোন সময়।

সকালের নাস্তা

এ বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি সকালবেলা শরীরচর্চা করলেন তারপর আপনি যদি সকালের নাস্তা খেতে পারেন। তাহলে অবশ্যই এটি আপনার জন্য তেমন একটা ভাল ফলাফল আনবে।কেননা আপনি যখন সকালবেলা শরীর চর্চা করবেন তখন আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজন হবে পর্যাপ্ত পরিমান শক্তি। আর এ শক্তি আপনি পেয়ে থাকবেন আপনার সকালের খাবারে। আপনি যখন সকালবেলা শরীর চর্চা করবেন তখন আপনি ৪০ মিনিটের ভিতর আপনার সকালের নাস্তা খাওয়ার চেষ্টা করবেন. এবং এই সকালের নাস্তায় আপনি সুষম খাবার রাখতে পারেন. ভালো ভালো ফল-ফলাদি রাখতে পারেন ডিম দুধের ছানা এসব ধরনের ফল আপনি রাখতে পারেন। খাদ্যভ্যাস আপনি রাখতে পারেন অনেক সময় দেখা যায়। অনেকে শীতকালে সকালের নাস্তা এড়িয়ে যায় এটি মোটেও ঠিক না। আমাদেরকে অবশ্যই শীতকালে সকালে নাস্তা করতে হবে এবং শুধু শীতকালে যে কোন সময়ে সকালে নাস্তা করা উচিত। এবং সেটা যদি হয় শরীরচর্চার পরপরই তাহলে সেটি শরীরের জন্য আরও বেশি উপকারী হয়ে উঠবে। তাই অবশ্যই আপনি শীতকালের সকাল বেলা শরীর চর্চার পাশাপাশি এর পরপরই আপনি সকাল নাস্তা খেয়ে নিতে হবে। যাতে করে আপনি শীতকালে সুস্থ থাকতে পারেন।

খাদ্য তালিকায় মৌসুমী ফল রাখা

শীতের মধ্যে সুস্থ থাকতে যে ১০টি নিয়ম মেনে চলতে হবে | Health Tips - 2023


শীতকালে অনেক ধরনের মৌসুমী ফল দেখা যায়। তাই অবশ্যই শীতকালে যে সমস্ত মৌসুমী ফল গুলো আছে সে সমস্ত মৌসুমী ফল গুলো অত্যন্ত পক্ষে একটি করে মৌসুমী ফল আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত। যখন শীতকালের মৌসুমী ফল গুলো আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখবো তখন সেটি শীতকালে আমাদের দেশে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হবে। শীতকালীন মৌসুমী ফল গুলো একা শীতকালে শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। এবং আপনি যেকোন ফল পারেন অর্থাৎ শীতকালে যে কোন ধরনের মৌসুমী ফল পাতা হাতের নাগালে আপনার বাড়ি কাছে নয় সেটি গ্রহণ করতে পারেন। শীতকালে যে সমস্ত ফল গুলো পাওয়া যায় সবগুলোই প্রায় পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। আর এর পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার ফল অত্যন্ত প্রয়োজন। এবং এটি যদি আমরা শীতকালে শীতকালে অংশগ্রহণ করতে পারি। তখন আমাদের শরীর সুস্থ থাকার সম্ভাবনা থাকে প্রতিদিন একটি করে মৌসুমী ফল খাদ্য তালিকা রাখতে পারেন।

প্রতিদিন একটি করে আমলকি

আমলকিতে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন এবং এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি' রয়েছে। যেটি আমাদের শারীরিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিবে। আপনি রিসিভ করেন খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন একটি করে আপনার খাদ্য তালিকায় আমলকি রাখেন। তাহলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিবে। এবং রোগ আপনার হাতের কাছে আসবে না অর্থাৎ আপনি রোগ থেকে কিছুটা হল দূরে থাকতে পারবেন। শীতকালীন ফলগুলোর মধ্যে আমলকিঅত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফল। এটি শুধু শীতকালে সবসময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ একটি ফল হিসেবে পরিচিত আমলকি ফল। আপনি যদি সুস্থ থাকতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার খাদ্য তালিকায় আমলকি রাখবেন।

খাদ্যতালিকায় শাকসবজি রাখা

শীতকালীন শাক-সবজির সমারোহ বেড়ে ওঠে। শীতকালে এমন কোন সবজি খুঁজে পাওয়া যাবে না যেটি শীতকালে পাওয়া যায় না। অথচ শীতকালে সব ধরনের সবজির সমারোহ দেখা যায়। এবং শীতকালের সবজি বাজার জমে উঠেছে যখন সবজির বাজারে যাবেন তখন আপনি হরেক রকমের সবজি দেখতে পারবেন। এবং সবগুলোই তাজা হয়ে থাকে। রঙিন যত সবজি আছে ফল আছে সবগুলো দেখা মেলে। আর এ রঙিন ফল ফলাদি গুলোতে শীতকালে রঙিন শাকসবজি গুলো আছে এগুলো আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়, আপনার দেহে ভিটামিন সমৃদ্ধ করে, ভিটামিন সরবরাহ করে। যেটি আপনাকে শীতকালের সুস্থ রাখতে অত্যন্ত সাহায্য করে থাকে। 

অনেকেই শীতকালীন বেশকিছু শাক-সবজি নিজের বাড়িতেই চাষাবাদ করে থাকে অথবা বাগান করে থাকে শখের বশে। শীতকালীন শাক-সবজির যেভাবেই হোক শীতকালের সবজি গুলো গ্রহন করা উচিত। অথবা নিজের নিজের বাগানের হয়ে থাকে তাহলে তো আরো বেশি ভালো হবে। তাই অবশ্যই আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় শীতকালীন শাকসবজি গুলো আছে সবগুলো শাকসবজি আপনাকে আপনার খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত। এতে করে আপনি শীতকালে সুস্থ থাকতে পারবেন।

ভাত ঘুম এড়িয়ে চলা

আমরা অনেকেই শীতকালে ভাত খাওয়ার পর হালকা ঘুমের অভ্যাস করে থাকি। অর্থাৎ শীতকালীন সময়টাতে আমরা সবাই রুমের মধ্যে অথবা ঘরের মধ্যে থাকতে চাই। কেননা বাইরে হয়তো আমাদের শীত লাগতে পারে। কিন্তু আমরা যখন রুমে থাকি তখন আমাদের শীতকালীন বিভিন্ন পোশাক আশাক আমাদের গায়ে থাকে। এবং শীতকালে পোশাক গায়ে দিয়ে আমরা আরামে থাকতে চাই। এজন্য আমরা যখন খাওয়া-দাওয়া করি তখন আমরা ঘুমের অভ্যাস করে থাকে। অর্থাৎ শীতকালে খাওয়া-দাওয়ার পরে যেন আমাদের একটু না ঘুমালেই নয় আর এটাকে বলা হয় ভাত ঘুম। তবে এটি আপনার দৈনন্দিন রুটিন একটি ভাল ফলাফল আনতে পারে না। এটি শুধু অলসতা সৃষ্টি করতে পারে। আপনি অলসতা কাটিয়ে উঠার জন্য এবং এতে সুস্থ-স্বাভাবিকভাবে থাকার জন্য সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আপনাদের রুটিন থেকে এটি এড়িয়ে চলা উচিত।

মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা

শীতের মধ্যে সুস্থ থাকতে যে ১০টি নিয়ম মেনে চলতে হবে | Health Tips - 2023


শীতকাল মানেই পিঠা-পুলির উৎসব। আর এ উৎসবে আমরা সবাই মেতে ওঠে থাকে। তবে শীতকালে যে সমস্ত পিঠাগুলো বানানো হয় প্রায় যে সমস্ত খাবার দাবার গুলো তৈরি করা হয় সবগুলোতেই থাকে মিষ্টি জাতীয় জিনিস। অর্থাৎ শীতকালে যে সমস্ত ফল-ফলাদি খাবার-দাবার পিঠা বানানো হয় সবগুলোতেই প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। তাই আমাদেরকে যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত অথবা কম খাওয়া উচিত। আমরা যদি শীতকালীন দ্রব্যাদি অর্থাৎ শীতকালে যে সমস্ত খাবার দাবার রয়েছে পিঠা বিভিন্ন ধরনের ফল ফলাদি মিষ্টি জাতীয় খাবার গুলো নিজের ইচ্ছামত গ্রহণ করতে থাকে। তাহলে অবশ্যই আমরা আমাদের নিজের অনেক কিছুই ঠিক রাখতে পারে না। এবং সুস্থ স্বাভাবিক থাকতে পারিনা অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় দ্রব্য আমাদের তেমন একটি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে না। তাই অবশ্যই শীতকালে যে সমস্ত জাতীয়বাদী আছে যে সমস্ত মিষ্টি জাতীয় পিঠা আছে সেগুলো কিছুটা হলেও কমেছে নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। যাতে করে শীতকালে সহজেই নিয়ম অনুসরণ করে সুস্থ থাকা যায়।

প্রচুর পরিমাণ পানি পান করা

আমাদের প্রায় প্রতিদিনই ৩ থেকে ৪ লিটার পরিমাণ পানি পান করতে হয়। যেটি আমাদের শরীরকে আদ্রতা প্রদান করে থাকে। কিন্তু দেখা যায় শীতকালীন সময়টাতে আমরা তেমন একটা পানি খেয়ে থাকি না। অর্থাৎ আমাদের শরীরে তেমন একটা পানি ব্যবহার করা হয় না। অথবা আমরা যখন খাওয়া-দাওয়ার করে থাকি তখন আমরা গরমকালের মত পানি খেয়ে থাকে না। গরমকালে আমরা এমনিতেই অতিরিক্ত পানি পান করে থাকে। অর্থাৎ খাওয়া-দাওয়া ছাড়াও আমরা যখন আমাদের গরম লেগে থাকে তখন আমরা পানি খেয়ে থাকে। কিন্তু শীত কালীন সময়ে আমরা খাওয়ার দাওয়াত ছাড়া তেমন একটা পানি খেয়ে থাকি না। 

তাই আমাদের যে পরিমাণ মত পানি পান করা উচিত সেই পরিমাণ মত পানি পান করিনা। আর তারা আমাদের পানি পান করার ক্ষেত্রে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তাই অবশ্যই আমাদের শরীরে যাতে কোনরকম পানি ঘাটতি দেখা না দেয় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি থাকে। এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ আদ্রতা প্রধান করতে পারে সেজন্য অবশ্যই যে পরিমাণ পানি পান করা উচিত। অর্থাৎ প্রায় ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করা উচিত। যাতে করে শীত কালীন সময়ে সুস্থ স্বাভাবিক থাকা যায়। আদ্রতা প্রদান করতে পারে। শরীরে পানির ঘাটতি দেখা না দেয়। এবং শীত কালীন সময়ে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করলে আমাদের দেহ সুস্থ স্বাভাবিক থাকবে তবে কোনকিছুই অতিরিক্ত নয়।

ত্বক ও চুলের যত্ন

শীতকালে সময় আমাদের ত্বক এবং চুল শুষ্ক থাকে। ত্বক এবং চুল সারাক্ষণ শুস্ক থাকতে দেখা যায়। শীতকালের সময়ে অন্যান্য সময়ের তুলনায় শরীরের ত্বক এবং চুলের শুষ্কতা ভাব বেশি দেখা যায়। আপনি যতই চেষ্টা করুন না কেন এই সময়টাতে ত্বক এবং চুলের শুষ্কতা যেন থামেনা। আচ্ছা যত বেশি শীত পড়বে তত বেশি আপনার ত্বক এবং চুলের শুষ্কতা বেড়ে যাবে। তাই অবশ্যই আপনাকে এই সময়টাতে সুস্থ স্বাভাবিক থাকার জন্য ত্বক এবং চুলের প্রতি যত্ন নিতে হবে। এ জন্য ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন ধরনের উপাদান সমূহ। এতে করে আপনি যদি প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে পারে। তাহলে আপনার জন্য অত্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকবে। তাই অবশ্যই আপনি বিভিন্নভাবে আপনার ত্বক এবং চুলের যত্ন নিতে হবে। যাতে করে আপনি শীত কালীন সময়ে ত্বকের শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন এবং উজ্জ্বল থাকে স্বাভাবিক থাকে।

উপরোক্ত এই ১০ টি নিয়ম মেনে চলে আপনি শীত কালীন সময়ে সুস্থ থাকতে পারেন। শীতের আমেজে সুস্থ থাকতে হলে উপরোক্ত ১০টি নিয়ম আপনাকে অনুসরণ করতে হবে. শীত কালীন সময়ে সুস্থ থাকার জন্য আপনাকে উপরের ১০ টি নিয়ম মেনে চলতে হবে। যে ১০টি নিয়ম মেনে চললে শীত কালীন সময়ে সুস্থ থাকা যায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সহজ উপায় | Bangla Health Tips 2022

Post a Comment

Previous Post Next Post